জিসান আহমেদ জুটন,সিলেট থেকেঃ
সিলেট নগরীতে অভিনব কৌশলে এক র্যাব সদস্যের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে।গত ১৭ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যায় কৌশলে খাবারে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করা হয়।এরপর চোরের দল বাসায় ঢুকে নগদ অর্থসহ প্রায় তিন-চার লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে।অজ্ঞান অবস্থায় ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ওই র্যাব সদস্যের স্ত্রী ও তিন সন্তান।রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১-এ কর্মরত এএসআই মনজুর আহমদের সিলেট নগরীর নবাব রোড এলাকার বাসায় এমন ঘটনা ঘটেছে।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তার স্ত্রীর জ্ঞান ফিরলেও তিন সন্তানের জ্ঞান গতকাল ১৯ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ রোববার বিকাল পর্যন্ত ফেরেনি।ওই চক্র র্যাব সদস্যের বাসা ছাড়াও পাশের এলজিইআরডি সিলেট অফিসে কর্মরত এক কর্মচারীর বাসায়ও চুরি করেছে।এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন র্যাব সদস্য মনজুর আহমদ।সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিঞা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রাইভেট ডিটেকটিভকে জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে।ডাকাতির শিকার মনজুর আহমদের শ্যালক মারুফ আহমদ খান জানান, গত ১৭ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ শুক্রবার সন্ধ্যার কোনো এক সময় বাসার পেছন দিকের গ্রিলের সামান্য অংশ কেটে রান্নাঘরে থাকা খাবারে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দেয় চোর চক্রের সদস্যরা।রাতে খাবার খেয়ে র্যাব সদস্যের স্ত্রী, তার মেয়ে জাবিন (১১), মাহজাবিন (৮) এবং ছেলে লাবিব (৪) অজ্ঞান হয়ে পড়লে বাসায় ঢোকে চোরের দল।এ সময় বাসায় রাখা নগদ ১ লাখ টাকাসহ স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্রসহ প্রায় তিন-চার লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় তারা।গত ১৮ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ শনিবার সকালে তাদের আত্মীয়-স্বজন ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন।র্যাব সদস্য মনজুর আহমদ জানান, মাত্র এক সপ্তাহ আগে তিনি ঢাকার উত্তরায় র্যাব-১-এ যোগদান করেছেন।এর আগে তিনি সিলেটের বিভিন্ন থানায় কর্মরত ছিলেন। গত ১৭ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ শুক্রবার রাত থেকে তিনি তার স্ত্রী-সন্তানদের মোবাইলে কল করলেও কোনো রিপ্লাই না পাওয়াতে আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।সবকিছু শুনে গত ১৮ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ শনিবার সকালেই বিমানে সিলেটে আসেন।তার স্ত্রী ও তিন সন্তানের শারীরিক অবস্থা এখনও পুরোপুরি ঠিক হয়নি।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২০ জুলাই ২০২০/ইকবাল